তাকদীর এছাড়া যদি এমন হতো এর ব্যাপারে কিছু কথা

A

তকদিরের উপর আস্থা না রেখে এমন হলে কি হতো তার ব্যাপারে কিছু কথা

 

তাকদীরের ফয়সালা ছাড়া যদি এমন এমন মানুষ হাসি আনন্দ বেদনা লাভ করত আর এর পেছনে কোন হিকমত না থাকতো তাহলে কি হতো

 

যদি আল্লাহ তাআলা তাকদীরের বিষয়গুলো ফেরেশতাদের তার কাছে অর্পণ করে দিতেন যাদের দয়া ন্যায় পরায়ণতা ও হিকমত সম্পর্কে আমাদের অবগত নেই তাহলে কি হতো

 

যদি বিপদ আপদের কারণে আলাদা করে প্রতিদান দেওয়া হয় না হতো তাহলে কেমন হতো যেমন ধরুন দুজনের একজন বিপদে আক্রান্ত আক্রান্ত হল আর অন্য একজন ভালোই থাকতো তারপর উভয়ের আমলের ভিত্তিতে প্রতিদান দেওয়া হতো দেখা গেল যে আমুল সমান সমান থাকার কারণে নেকো একই রকম হচ্ছে তাহলে কি হতো এমনটা হলে বিপদ ধৈর্য ধারণ করার সবথেকে অপর ব্যক্তির বঞ্চিত হত প্রশ্নগুলো অন্তর শোনাচ্ছে আসলে তাই তবে এসব প্রশ্নের ভেতর আমি এমন কিছু বিষয় সমাধান পেয়েছি দীর্ঘদিন যা আমার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো আমাদের উপর আপত্তি বিপদ-মুসিবত পূর্ণ নির্ধারিত হওয়ার মানে কি পৃথিবীতে এমন তোমাদের নিজের ওপর একটি এমন নয় যে তাকে আমি সৃষ্টি করার পূর্বে একটি গ্রন্থ লিখে রেখেছি এমনকি করা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ কাজ যাতে যে ক্ষতিকর তোমাদের হতে থাকুন তাতে তোমরা মন্দন্না হও আর আল্লাহ তোমাদের যা দান করে সেজন্য গর্বিত না হওয়া যারা নিজে নিজেদের বড় মনে করে এবং অহংকার করে আর নিজেরাও কিছু পোনা কল্পনা করে এবং মানুষকেও কৃপণতা করতে উৎসাহ দেয় আল্লাহ তাদের পছন্দ করেন না তাদেরকে ভালবাসেন না এরপরও যদি কেউ মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে আল্লাহ অভাব সুন্নতি প্রশংসিত

 

 

বিপদগুলো বিক্ষিপ্ত কোনো বিষয় নয় বরং আগে থেকেই এগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হওয়া ছিল সুতরাং সুখ পাওয়া ছিল নেই বিপদ-মুসিবত দেওয়ার দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা অন্য কারো অর্পণ করেন নি বরং তিনি তার কাছে রেখেছেন যা কিছু করি না কেন সবকিছুই তকদির সবকিছু আল্লাহপাকের নিজের হাতে রেখেছেন সমাজ সাথী ও বন্ধুগণ আজকের পোস্ট এ পর্যন্তই

Comments